acsbangla.in| এ সি এস বাংলা তিমির হননের গান | জীবনানন্দ দাশ| class 12 semester 3 | acsbangla.In
1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 RESULT
Class 11 — Semester 1 Class 11 — Semester 2 Class 12 — Semester 3 Class 12 — Semester 4
Scholarship আজকের খবর YouTube WhatsApp

তিমির হননের গান | জীবনানন্দ দাশ| class 12 semester 3 | acsbangla.In

0
উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা (সেমিস্টার ৪)

তিমির হননের গান

মূল কবি: জীবনানন্দ দাশ (কাব্যগ্রন্থ: সাতটি তারার তিমির)

প্রস্তুতকারক: শিক্ষক সুরজিৎ কর্মকার | প্রতিষ্ঠান: এনজয় এক্সাম স্টাডি সেন্টার
প্রেক্ষাপট ও সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
১৩৫০ বঙ্গাব্দ (১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দ)-এর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও মনুষ্যসৃষ্ট 'পঞ্চাশের মন্বন্তর'-এর ভয়াল বাস্তবতায় রচিত এই কবিতা। কবি অতীত মানবজাতির প্রেমময় ঐতিহ্যের সঙ্গে সমকালীন স্বার্থপর মধ্যবিত্তের অবক্ষয় ও ফুটপাতের নিরন্ন মানুষের আর্তনাদ তুলে ধরেছেন। পরিশেষে অবক্ষয়ের অন্ধকার চূর্ণ করে 'তিমিরবিনাশী' হয়ে ওঠার আহ্বান জানিয়েছেন।
পঙ্‌ক্তিভিত্তিক শব্দার্থ ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা
পঙ্‌ক্তি ১ - ২
কোন হ্রদে কোথাও নদীর ঢেউয়ে কোন এক সমুদ্রের জলে
পরস্পরের সাথে দুদণ্ড জলের মত মিশে
📌 প্রয়োজনীয় শব্দার্থ:
হ্রদ: চারদিকে স্থলবেষ্টিত প্রাকৃতিক জলাশয়।
দুদণ্ড: ক্ষণকাল বা সামান্য সময়ের জন্য (এখানে ক্ষণিক অর্থে ব্যবহৃত)।
📖 সরল ব্যাখ্যা:
প্রাগৈতিহাসিক যুগে পৃথিবীর আদিম জলরাশিতে আলো ও বাতাস পরস্পরের সাথে নিবিড়ভাবে মিশে প্রথম এককোষী প্রাণের সূচনা করেছিল। সৃষ্টির সেই শুভলগ্নকে কবি স্মরণ করেছেন।
পঙ্‌ক্তি ৩ - ৪
সেই এক ভোরবেলা শতাব্দীর সূর্যের নিকটে
আমাদের জীবনের আলোড়ন হয়তো-বা জীবনকে শিখে নিতে চেয়েছিল;
📌 প্রয়োজনীয় শব্দার্থ:
শতাব্দীর সূর্য: মহাকালের চিরন্তন সূর্য।
জীবনের আলোড়ন: নবসৃষ্ট জীবনের প্রথম স্পন্দন বা অস্তিত্বের সূচনা।
📖 সরল ব্যাখ্যা:
সৃষ্টির আদি প্রত্যুষে সূর্যের আলো ও উত্তাপকে প্রত্যক্ষ করে নতুন প্রাণ পৃথিবীতে বেঁচে থাকার প্রথম পাঠ গ্রহণ করতে চেয়েছিল।
পঙ্‌ক্তি ৫ - ৬
অন্য এক আকাশের মত চোখ নিয়ে আমরা হেসেছি, আমরা খেলেছি;
স্মরণীয় উত্তরাধিকারে কোনো গ্লানি নেই ভেবে একদিন ভালোবেসে গেছি;
📌 প্রয়োজনীয় শব্দার্থ:
আকাশের মত চোখ: উদার, সংস্কারমুক্ত ও নির্মল দৃষ্টি।
স্মরণীয় উত্তরাধিকার: পূর্বপুরুষদের থেকে প্রাপ্ত প্রেম, সৌহার্দ্য ও মানবিক গুণাবলী।
গ্লানি: কলঙ্ক, মলিনতা বা পাপবোধ।
📖 সরল ব্যাখ্যা:
আদিমকালে মানুষের দৃষ্টি ছিল আকাশের মতো উদার। পূর্বপুরুষদের থেকে পাওয়া মানবিকতায় কোনো খাদ বা স্বার্থপরতা ছিল না; সেই সরল ভরসায় মানুষ একে অপরকে ভালোবেসেছিল।
পঙ্‌ক্তি ৭ - ৮
সেই সব রীতি আজ মৃতের চোখের মত;
তারার আলোর দিকে চেয়ে নিরালোক হেমন্তের প্রান্তরে তারার আলো—
📌 প্রয়োজনীয় শব্দার্থ:
রীতি: অতীতের ভালোবাসার সামাজিক রীতি ও মূল্যবোধ।
নিরালোক: আলোহীন, অন্ধকারাচ্ছন্ন।
📖 সরল ব্যাখ্যা:
আধুনিক সমাজে অতীতের সেই মানবিক সম্পর্কগুলো মৃত মানুষের চোখের মতো আলোহীন হয়ে পড়েছে। কুয়াশাচ্ছন্ন হেমন্তের মাঠে তারার আলো যেমন অস্পষ্ট, মানুষের আত্মিক মূল্যবোধও আজ তেমনি ম্লান।
পঙ্‌ক্তি ৯ - ১০
সেই জের টেনে আজও খেলি;
সূর্যালোক নেই, তবু সূর্যালোক মনোরম মনে হলে হাসি;
📌 প্রয়োজনীয় শব্দার্থ:
জের টেনে: অতীতের রেশ বা অভ্যাস কোনোমতে বজায় রেখে।
মনোরম: সুন্দর বা মনোহর।
📖 সরল ব্যাখ্যা:
হৃদয়ের মানবিক টান ফুরিয়ে গেলেও মানুষ কেবল যান্ত্রিক সামাজিকতা রক্ষা করে চলেছে। সত্য ও ন্যায়ের সূর্য যখন অস্তমিত, তখন এই অবক্ষয়িত জীবনকে 'সুন্দর' দাবি করলে কবির করুণ হাসি পায়।
পঙ্‌ক্তি ১১ - ১২
সততই বিমর্ষ হয়ে ভদ্র সাধারণ
চেয়ে দেখে তবু সেই বিষাদের চেয়ে আরো বেশি কালো কালো ছায়া;
📌 প্রয়োজনীয় শব্দার্থ:
সততই: সর্বদা।
ভদ্র সাধারণ: স্বার্থপর মধ্যবিত্ত শ্রেণি।
কালো কালো ছায়া: অনাহারক্লিষ্ট, কঙ্কালসার ফুটপাতের মানুষেরা।
📖 সরল ব্যাখ্যা:
মধ্যবিত্ত সমাজ মন্বন্তরের দৃশ্য দেখে মুখে বিষাদের ভান করে ঠিকই, কিন্তু তাদের আত্মকেন্দ্রিকতা ভাঙে না। তাদের কাছে ফুটপাতের অনাহারী মানুষগুলো কেবল প্রাণহীন কিছু কালো ছায়ামূর্তি মাত্র।
পঙ্‌ক্তি ১৩ - ১৭
লঙ্গরখানার অন্ন খেয়ে,
মধ্যবিত্ত মানুষের বেদনার নিরাশার হিসেব ডিঙিয়ে,
নর্দমার থেকে শূন্য ওভারব্রিজে উঠে, নর্দমায় নেমে,
ফুটপাথ থেকে দূর নিরুত্তর ফুটপাথে গিয়ে
নক্ষত্রের জোছনায় ঘুমোতে বা মরতে জানে;
📌 প্রয়োজনীয় শব্দার্থ:
লঙ্গরখানা: দুর্ভিক্ষের সময় নিঃস্বদের খাদ্য বিতরণের স্থান।
নিরুত্তর: যে কোনো আশ্রয়ের দিশা বা উত্তর দেয় না।
নক্ষত্রের জোছনায়: উন্মুক্ত আকাশের নিচে।
📖 সরল ব্যাখ্যা:
পঞ্চাশের মন্বন্তরের শিকার নিঃস্ব মানুষ লঙ্গরখানার সামান্য অন্ন খেয়ে বাঁচার লড়াই করে। মধ্যবিত্তের ক্ষোভের হিসাব ছাড়িয়ে তারা নর্দমা থেকে ফুটপাতে ঘুরে মরে এবং পরিশেষে খোলা আকাশের নিচে অনাহারেই চিরঘুমে ঢলে পড়ে।
পঙ্‌ক্তি ১৮ - ২০
এরা সব এই পথে—ওরা সব ওই পথে;
তবু মধ্যবিত্ত মোদির জগতে
আমরা বেদনাহীন অন্তহীন বেদনার পথে;
📌 প্রয়োজনীয় শব্দার্থ:
মোদির: মদির বা মোহাচ্ছন্ন, স্বার্থচিন্তায় মত্ত।
অন্তহীন: সীমাহীন।
📖 সরল ব্যাখ্যা:
সমাজে স্পষ্ট শ্রেণিভেদ—একদিকে ফুটপাতের মৃতপ্রায় মানুষ ('এরা'), অন্যদিকে ভোগবাদী মধ্যবিত্ত ('ওরা')। অন্যের বেদনায় উদাসীন মধ্যবিত্ত আপাতদৃষ্টিতে 'বেদনাহীন' মনে হলেও, আত্মিক অবক্ষয়ের ফলে তারা প্রকৃতপক্ষে এক সীমাহীন বেদনার পথে তলিয়ে যাচ্ছে।
পঙ্‌ক্তি ২১ - ২৪
কিছু নেই, তবু সেই জের টেনে খেলি;
সূর্যালোক প্রজ্ঞাময় মনে হলে হাসি;
জীবিত বা মৃত রমণীর মত ভেবে
অন্ধকারে মহানগরীর মৃগনাভি ভালোবাসি;
📌 প্রয়োজনীয় শব্দার্থ:
প্রজ্ঞাময়: বিবেকদীপ্ত বা জ্ঞানপূর্ণ।
মহানগরীর মৃগনাভি: শহরের চরম ইন্দ্রিয়সুখ, মোহ ও ভোগবিলাসের প্রতীক।
📖 সরল ব্যাখ্যা:
আবেগ ও বিবেক শূন্য হলেও মানুষ বেঁচে থাকার মেকি অভিনয় করে যাচ্ছে। চারপাশে নৈতিক ধ্বংসের মাঝে সমাজকে 'জ্ঞানী' ভাবা হাস্যকর। এমনকি মহামারীর মতো মৃত্যুর মাঝেও নাগরিক মানুষ কামলিপ্সা ও ভোগবিলাসের পেছনে অন্ধ হয়ে ছুটছে।
পঙ্‌ক্তি ২৫ - ২৮
তিমিরহননে তবু অগ্রসর হয়ে
আমরা কি তিমিরবিলাসী?
আমরা তো তিমিরবিনাশী হতে চাই;
আমরা তো তিমিরবিনাশী;
📌 প্রয়োজনীয় শব্দার্থ:
তিমিরহনন: অন্ধকার বা সামাজিক অবক্ষয় বধ করা।
তিমিরবিলাসী: অন্ধকার ও কুৎসিত অবক্ষয়কে মেনে নিয়ে তাতে সুখভোগকারী।
তিমিরবিনাশী: অন্ধকারকে সমূলে ধ্বংসকারী শক্তি।
📖 সরল ব্যাখ্যা:
কবিতার শেষে কবি প্রত্যয়ী আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। মানুষ এই অবক্ষয়ের অন্ধকারে বিলাসিতা করতে পারে না; মানুষের আসল সত্তা হলো সে অন্ধকার দূর করবে। মানুষ 'তিমিরবিলাসী' নয়, সে মূলত 'তিমিরবিনাশী'।
উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা (চতুর্থ সেমিস্টার)

তিমির হননের গান : কবিতার মূল সারাংশ

মূল কবি: জীবনানন্দ দাশ | কাব্যগ্রন্থ: সাতটি তারার তিমির

প্রস্তুতকারক: শিক্ষক সুরজিৎ কর্মকার | প্রতিষ্ঠান: এনজয় এক্সাম স্টাডি সেন্টার
"তিমির হননের গান হলো ধ্বংস, অবক্ষয় ও স্বার্থপরতার নিকষ অন্ধকারকে চূর্ণ করে নতুন মানবিক প্রত্যয় জাগিয়ে তোলার গান।"
🌱 ১. সৃষ্টির আদিম লগ্ন ও নির্মল জীবনবোধ
কবিতার প্রারম্ভে কবি ফিরে গেছেন প্রাগৈতিহাসিক যুগে। আদিম সমুদ্রের জলে আলো ও বাতাসের মিলনে যেভাবে প্রথম এককোষী প্রাণের বিকাশ ঘটেছিল, শতাব্দীর চিরন্তন সূর্য সেই নবসৃষ্ট প্রাণকে শিখিয়েছিল টিকে থাকার স্বাভাবিক প্রেরণা। সূচনালগ্নে মানুষের দৃষ্টি ছিল আকাশের মতোই মুক্ত, নির্মল ও উদার। সেখানে কোনো দ্বিধা বা লোভের গ্লানি ছিল না; পারস্পরিক ভালোবাসা ও সহমর্মিতাই ছিল মানবজাতির প্রাথমিক উত্তরাধিকার।
🌫️ ২. মূল্যবোধের অবক্ষয় ও কৃত্রিম সমাজচেতনা
কালক্রমে আধুনিক যুগে এসে মানবজাতির সেই বিশুদ্ধ প্রেম ও মানবিক রীতিগুলো মৃত মানুষের চোখের মতো আলোহীন হয়ে পড়েছে। কুয়াশাচ্ছন্ন হেমন্তের প্রান্তরে তারার আলো যেমন ক্ষীণ ও লক্ষ্যহীন, সমকালের মানবমনও তেমনি আত্মিক অন্ধকারে নিমজ্জিত। সত্য ও মানবতার আলো সম্পূর্ণ হারিয়ে গেলেও সমাজ অভ্যাসবশত রীতিনীতির অন্তঃসারশূন্য অভিনয় টিকিয়ে রেখেছে। ভেতরের আলোহীনতাকে বাইরে মনোরম বলে প্রচার করার এই ভণ্ডামিকে কবি তীব্র শ্লেষে উপহাস করেছেন।
🥀 ৩. পঞ্চাশের মন্বন্তর ও ফুটপাতের কঙ্কালসার বাস্তবতা
১৩৫০ বঙ্গাব্দ (১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দ)-এর মনুষ্যসৃষ্ট পঞ্চাশের মন্বন্তরের বিভীষিকাকে কবি সরাসরি তুলে ধরেছেন। খাদ্যের খোঁজে গ্রাম ছেড়ে শহরে আসা অগণিত নিরন্ন মানুষ লঙ্গরখানার সামান্য অন্ন বা ফ্যানের প্রত্যাশায় ঘুরে মরেছে। নর্দমা, ওভারব্রিজ ও ফুটপাতে ঘুরেও তারা কোনো আশ্রয়ের দেখা পায়নি। পরিশেষে নিস্তব্ধ ফুটপাতে খোলা আকাশের নিচে নক্ষত্রের আলোয় অনাহারে ধুঁকে ধুঁকে তারা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছে।
🏙️ ৪. মধ্যবিত্ত সমাজের আত্মকেন্দ্রিকতা ও নির্লিপ্ত ভোগবাদ
একদিকে অনাহারী মানুষের আর্তনাদ, অন্যদিকে শহরের তথাকথিত ভদ্র মধ্যবিত্তদের নিষ্ঠুর আত্মকেন্দ্রিকতা—এই দুই মেরুকে কবি স্পষ্ট করেছেন। মধ্যবিত্ত সমাজ দুর্যোগের দিনেও কেবল নিজেদের অস্তিত্ব ও চাকরি বাঁচানোর হিসেব কষেছে। ফুটপাতের কঙ্কালসার মানুষগুলো তাদের চোখে কেবল রক্তমাংসহীন কিছু কালো ছায়ামূর্তি। এই নির্লিপ্ত শ্রেণি আপাতদৃষ্টিতে সমবেদনাহীন ও বেদনাহীন হলেও, তাদের এই চরম নৈতিক পতন তাদের এক অন্তহীন আধ্যাত্মিক অন্ধকারের দিকেই নিয়ে যায়।
☀️ ৫. অন্ধকার বিনাশের ডাক: তিমিরবিলাসী নয়, তিমিরবিনাশী
কবিতার পরিসমাপ্তিতে কবির ক্ষোভ রূপান্তরিত হয়েছে আত্মজিজ্ঞাসা ও সুদৃঢ় সংকল্পে। সমাজ কি চিরকাল এই লোভ, বঞ্চনা ও অবক্ষয়ের অন্ধকারে বিলাসিতা করবে? কবি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানান—মানুষ তিমিরবিলাসী হতে পারে না। সমস্ত আত্মকেন্দ্রিকতা ও অমানবিকতার তমিস্রাকে উপড়ে ফেলে মানুষকে হতে হবে 'তিমিরবিনাশী'। অন্ধকারকে বিনাশ করে এক নতুন আলোকোজ্জ্বল মানবতা পুনর্নির্মাণের দৃঢ় অঙ্গীকারেই কবিতার সার্থকতা।

🎯 মূল ভাবার্থ সংক্ষেপে:

'তিমির হননের গান' কেবল মন্বন্তরের বিষাদগাথা নয়; এটি আত্মকেন্দ্রিক সভ্যতার মুখোশ উন্মোচন এবং সংকটের অন্ধকার পেরিয়ে আলোর অভিমুখে যাত্রার এক কালজয়ী ইশতেহার। কবি স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন—মানুষ অন্ধকারের দাস নয়, অন্ধকারকে বিনাশ করার অদম্য শক্তিই মানুষের চিরন্তন পরিচয়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0মন্তব্যসমূহ

পোস্ট পড়ার পর ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করতে ভুলবেন না ।
( After reading post not forgetting comments. ) 👆

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)
"ACSBangla.com: পশ্চিমবঙ্গের স্কুল-কলেজের খবর, বৃত্তি, চাকরি সংক্রান্ত আপডেট, মাধ্যামিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার সাজেশন। এছাড়াও এখানে পাবেন পশ্চিমবঙ্গের নতুন প্রকল্পের খবর, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও বাংলার সর্বশেষ সংবাদ। ছাত্রছাত্রীদের জন্য উপযোগী সাজেশন ও চাকরিপ্রার্থীদের জন্য নিয়মিত আপডেট সহ আরও অনেক কিছু জানতে ভিজিট করুন ACSBangla.com। পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা, চাকরি ও প্রজেক্ট সংক্রান্ত আপডেট পেতে থাকুন আমাদের সাথে।" "ACSBangla.in: Get updates on West Bengal school and college news, scholarships, jobs, and exam suggestions for Madhyamik and HS. Also, find information on new projects, important news, and the latest updates from Bengal. Visit ACSBangla.com for student-friendly suggestions and regular updates for job seekers. Stay tuned for updates on education, jobs, and projects in West Bengal." @EnjoyExam @NewsAcsBangla